আপনি একটি পুরানো ব্রাউজার সংস্করণ ব্যবহার করা হয়। সেরা MSN অভিজ্ঞতার জন্য দয়া করে একটি সমর্থিত সংস্করণ সেরা MSN অভিজ্ঞতার জন্য ব্যবহার করুন।

এই ছোট কারণেই শেষ হতে পারে আপনার সুখের সংসার! আগে থাকতে সতর্ক হন, জানুন

এই সময় লোগো এই সময় 27-05-22

(Happy Marriage) সুখের সংসারে আনন্দ করে থাকার ইচ্ছে সকলের মধ্য়েই থাকে। কিন্তু কী জানেন, বিয়ে বা সম্পর্কের বিষয়টিই এমন, একটু সতর্ক না থাকলেই আপনার সংসার নষ্ট হতে পারে। এমনকী ভাঙতে পারে আপনার বিয়েও। দম্পতির এমন কিছু খারাপ অভ্যাস থাকে যা বিয়ে ভাঙার কারণ হতে পারে। জেনে নিন স্বামী-স্ত্রীর কোন কোন অভ্যাস বদলাতে হবে।

Relationship Tips: এই ছোট কারণেই শেষ হতে পারে আপনার সুখের সংসার! আগে থাকতে সতর্ক হন, জানুন © এই সময় এর দ্বারা সরবরাহকৃত Relationship Tips: এই ছোট কারণেই শেষ হতে পারে আপনার সুখের সংসার! আগে থাকতে সতর্ক হন, জানুন

সুখী দাম্পত্য কে না চায়, কিন্তু আমার বিবাহিত জীবন সুখের নয় বলে কান্নকাটি করতে দেখা যায় অনেককেই! কিন্তু কেন তাঁদের বিবাহিত জীবন সুখের নয়, সেই কথা কি তাঁরা ভেবে দেখেন! অনেক দম্পতিই জানেন না, তাঁদের কিছু স্বভাবের জন্য় তাঁদের সংসারে অশান্তি আরও বাড়ছে।

বিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি করছে। মোবাইলেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, (Partner) পার্টনারের জন্মদিনের কথা ভুলে অফিসেই বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন, এই অভ্যাসকে তো অন্য়তম খারাপ অভ্য়াস মনে করা হয়। এগুলিই কিন্তু একদিন আপনার বিয়ে ভাঙার কারণ হতে পারে। ঝগড়া বাড়তে পারে আপনাদের মধ্য়ে। আমরাও এরকম কয়েকটি অভ্য়াসের কথা আজ আপনাকে জানাব। কীভাবে আপনি সেই অভ্যাসগুলি ধরতে পারেন আর বদলাতে পারেন।

কমিউনিকেট না করা ও চিৎকার করা

কমিউনিকেট না করা ও চিৎকার করা © এই সময় এর দ্বারা সরবরাহকৃত কমিউনিকেট না করা ও চিৎকার করা

অনেক দম্পতি কোনও মতবিরোধ হলেই খালি নিজেদের মধ্য়ে চিৎকার চেঁচামেচি করেন। কেউ কারও কথা শুনতে চান না। এটাই সবথেকে বড় ভুল করেন। দেখুন, সমস্য়া সব দম্পতির মধ্যেই হয়।

স্বামী স্ত্রীর মধ্য়ে ঝগড়া

হবেই। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, আপনি চিৎকার চেঁচামেচি করবেন। বরং দুজনে বসে ঠান্ডা মাথায় ধীর স্থিরভাবে কথা বলুন। দেখবেন এতে সমস্য়া সমাধান হয়েছে। রাগ হয়ে থাকলে একে অপরের থেকে দূরে গিয়ে বসে থাকুন। কিন্তু রাগের প্রকাশ করার জন্য় সঙ্গীর উপরে চিৎকার করবেন না। রাগ কমলে নিজেরই খারাপ লাগবে।

আপনার সঙ্গী কি আপনার শত্রু?

আপনার সঙ্গী কি আপনার শত্রু? © এই সময় এর দ্বারা সরবরাহকৃত আপনার সঙ্গী কি আপনার শত্রু?

আপনি যদি সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া করার জন্য় বা তাঁর ভুল ধরার জন্য় কোনও না কোনও ছুতো খুঁজতেই থাকেন, তবে এই কথা মেনে নিতে হবে যে, আপনি আপনার সঙ্গীকে শত্রুই ভাবেন মনে মনে। আসলে দুজনে মিলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে হবে। দুজনকেই চেষ্টা করতে হবে যাকে সম্পর্ক সরল ও মজবুত থাকে।

কোনওভাবেই আপনি আপনার পার্টনারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন না। এটা বুঝুন। যদি একে অপরের মধ্য়ে কোনও সমস্য়া দানা বাঁধে, তাহলে একসঙ্গে বসে তা সমাধান করার চেষ্টা করুন।

কোন বয়সে বিয়ে করলে রোম্যান্স থাকবে সারাজীবন? উত্তর শুনে অবাক হবেন আপনিও!

টাকা পয়সার বিষয় সঙ্গীর থেকে লুকিয়ে যাওয়া

টাকা পয়সার বিষয় সঙ্গীর থেকে লুকিয়ে যাওয়া © এই সময় এর দ্বারা সরবরাহকৃত টাকা পয়সার বিষয় সঙ্গীর থেকে লুকিয়ে যাওয়া

আপনি হয়তো বেশ কয়েক জায়গায় টাকা জমিয়ে রেখেছেন। কোনও খাতে টাকা বিনিয়োগ করেছেন। খরচা হয়েছে। এইসব কথাই আপনি বেআপনার মধ্য়ে রাখেন ও আপনার সঙ্গীকে কোনওভাবেই সেই কথা জানান না। এই পদক্ষেপের মতো ভুল পদক্ষেপ আর হয় না।

আপনাদের মধ্য়ে ঝগড়া ও ভুল বোঝাবুঝি বাড়িয়ে দিতে পারে এই কাজ। আপনার সঙ্গীর সঙ্গে অবশ্য়ই আলোচনা করুন। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নিন। দুজনে মিলে আর্থিক পরিকল্পনা করুন। একসঙ্গেই বুদ্ধি করে বিনিয়োগ করুন। তা আপনার বিবাহিত জীবনকেও সুখের করবে।

বিয়ের পর মেয়েদের এই কাজ বাবার মনে খুবই দুঃখ দেয়! আপনিও তেমন কিছু করেননি তো?

তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপ

তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপ © এই সময় এর দ্বারা সরবরাহকৃত তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপ

আপনি হয়তো আপনার সঙ্গীর সঙ্গে ঝগড়া করেছেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্য়ে মতবিরোধ, কথা কাটাকাটি হতেই পারে। তা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু দুজনে মিলে কথা বলে ও আলোচনার মাধ্য়মে তা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। কিন্তু আপনি তা না করে হয়তো সেই কথা আপনার বাড়িতে অন্য় কাউকে জানালেন।

কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করলেন। আসলে আপনি আপনার গোপনীয়তা নষ্ট করলেন। সম্পর্কে প্রাইভেসি এক ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই তাকে সম্মান করুন। কোনও তৃতীয় ব্যক্তি

আপনাদের সম্পর্কে

এসে নাক গলালে তা আপনার সম্পর্কের জন্য়ই খারাপ। হিত বিপরীত হতে পারে।

অভিযোগ করা ও গুরুত্ব না দেওয়া

অভিযোগ করা ও গুরুত্ব না দেওয়া © এই সময় এর দ্বারা সরবরাহকৃত অভিযোগ করা ও গুরুত্ব না দেওয়া

সব সময় সঙ্গীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন না। হয়তো তাঁর কোনও কাজ আপনার ভালো লাগেনি। সেই বিষয়টি সঙ্গীকে ভালো করে বুঝিয়ে বলুন। অভিযোগের সুরে কোনও কথা বললে তাঁর খারাপই লাগবে। তাঁর মন আরও ভেঙে পড়বে। এছাড়াও সঙ্গীর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করুন।

তিনি কী ভাবছেন, তিনি কী চান, তা খেয়াল রাখুন। এইভাবেই সম্পর্ক ভালো থাকে। সরল থাকে। নাহলে সম্পর্কে অশান্তির শেষ থাকবে না। এমনকী আপনার সুখের সংসারটিও ভেঙে যেতে পারে।

আরও পড়ুন এই সময়

image beaconimage beaconimage beacon